বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি টমেটো ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিমের দাম ১২০ থেকে ১৪০, গাজর ১৪০, গোল বেগুন ১০০ থেকে ১২০ এবং দেশি শসা ১০০ থেকে ১১০ টাকা। অর্থাৎ কয়েক ধরনের সবজি কিনতেই কেজিপ্রতি ১০০ টাকা বা তার বেশি খরচ করতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
বিপরীতে সরবরাহ বাড়ায় অধিকাংশ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। বাজারে প্রতি কেজি করলা ৮০, কাঁকরোল ৭০ থেকে ৮০, ধুন্দল ৮০, পটল ৬০, ঢ্যাঁড়স ৬০ ও চিচিঙ্গা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হাইব্রিড শসার কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা। কচুর মুখি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে।
কুড়িল-সংলগ্ন কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা আতিক হোসেন বলেন, মৌসুমের শুরুতে নতুন সবজির দাম সাধারণত বেশি থাকে। এ সময় বাজারে সরবরাহও তুলনামূলক কম। তবে নতুন সবজি এলে দাম ধীরে ধীরে কমতে পারে।

বেগুন, শিম ও টমেটোসহ নিত্যদিনের কিছু পণ্যের দাম ১০০ টাকার ওপরে থাকায় বাজার করতে গিয়ে বাড়তি ব্যয়ের মুখে পড়ছেন ক্রেতারা। কালাচাঁদপুরে সবজি কিনতে আসা মারুফ আল-আমিন বলেন, বাজারে শীতকালীন সবজি আসা শুরু করায় দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে কিছু পণ্যে এখনও ১০০ টাকার বেশি গুনতে হয়। এর মধ্যে টমেটো দৈনন্দিন রান্নার উপকরণ হিসেবে প্রয়োজন। দামের কারণে শসা-গাজরও তেমন কেনা যাচ্ছে না।
কিছু সবজির দাম কমায় মারুফ কিছুটা সন্তুষ্ট থাকলেও একই বাজারের ক্রেতা শিউলি আক্তার বলেন, দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমলেও নিম্নআয়ের পরিবারের জন্য যথেষ্ট নয়। শিম কিনতে এখনও ১২০ থেকে ১৪০ টাকা গুনতে হয়। টমেটোর কেজি দেড়শ টাকা। এ ছাড়া, এ মৌসুমে শসা-গাজরের দাম ১০০ টাকার বেশি থাকায় কেনা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। তাই তুলনামূলক কম দামের সবজি কিনে খরচ সামলাতে হচ্ছে আমাদের।












