মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে দেলিয়াই বাজারের মধ্যবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী এস কে সৌরভ বর্তমানে ঢাকার একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে কর্মরত। তাঁর ভাগিনা মেহেদী হাসান আবেদ ওমানপ্রবাসী।
এস কে সৌরভের বর্ণনা অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে দেলিয়াই বাজারের রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় তাঁর ভাগিনার গায়ে একটি চলন্ত মোটরসাইকেল লেগে যায়। এ নিয়ে মোটরসাইকেল চালক ও মেহেদী হাসানের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তিনি ও স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে মোটরসাইকেল চালক মেহেদী হাসানের মাকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করেন এবং তাঁকে মারতে উদ্যত হন। এতে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের আলাদা করে দেন এবং মেহেদী হাসানকে বাড়িতে চলে যেতে বলেন।
এস কে সৌরভ জানান, ঘটনার সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি মোটরসাইকেল চালককে শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু ওই ব্যক্তি তাঁর ওপরও চড়াও হন এবং তাঁকে ধাক্কা দেন। এ সময় তিনি নিজেকে প্রভাবশালী দাবি করে তাঁর ভাগিনাকে হত্যার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন সৌরভ।

সৌরভের ভাষ্য, পরিস্থিতি শান্ত করতে এবং আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আশ্বাস দিলেও হামলাকারীরা তাঁকে মারধর করতে করতে বাজারের দিকে নিয়ে যান। পরে তাঁর চাচাতো ভাই আবির তাঁকে নিজের দোকানের ভেতরে নিয়ে বসিয়ে রাখেন। তবে হামলাকারীরা আবারও তাঁর ওপর হামলার চেষ্টা করেন। পরে পরিবারের সদস্য, পরিচিতজন ও স্থানীয় কয়েকজনের সহায়তায় তিনি তাঁদের হাত থেকে উদ্ধার পান।
ঘটনার পর তিনি বাড়ির পেছনের এলাকার একটি ডিসপেনসারিতে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ওষুধ নেন। বর্তমানে তিনি বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে জানান।
এস কে সৌরভ অভিযোগ করেন, হামলাকারীদের অধিকাংশের বয়স ২০ বছরের নিচে। স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁদের মধ্যে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ ঘটনায় বুধবার (২১ অক্টোবর) থানায় গিয়ে ঘটনার তদন্ত, সুষ্ঠু বিচার এবং নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার কথা জানিয়েছেন এস কে সৌরভ।
টিএনজে/এএইচ











