বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিছিলটি মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সৈয়দ আবুল বাশার, মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মনছুর উদ্দিন আহম্মদ, ঢাকা মহানগর এরিয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল বাশার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্যসচিব মো. শহিদুল হক, সাংগঠনিক কমান্ডার সরফুদ্দিন আহম্মদ নুরু, শিবালয় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জালাল উদ্দিন ও দৌলতপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুর রশিদ।
বক্তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছেন। অথচ সেই দেশে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশের স্বাধীনতার চেতনাকে অবমাননা করার শামিল।

মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মনছুর উদ্দিন আহম্মদ আরও বলেন, ‘আপনারা পালানোর জায়গাও পাবেন না। পাকিস্তানের দালালি করে পালানোর পথ খুঁজে পাবেন না। বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দিয়েছেন। নিজেদের মুসলমান দাবি করার আগে এসব কর্মকাণ্ডের জবাব দিতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, একটি মহল দেশে অণ না। ভবিষ্যতে দেশের কোথাও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা হলে সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
টিএনজে/এএইচ
















