শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত ৯টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শিবির সভাপতি বলেন, ১৯৯০-৯১ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের মূল কথা ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।বিএনপি সেই প্রতিশ্রুতি দিয়ে আন্দোলন করলেও ক্ষমতায় যাওয়ার পর পাঁচ বছরেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল উত্থাপন করেনি। পরে তীব্র গণ-আন্দোলনের মুখে ১৯৯৬ সালে বিলটি উত্থাপন করে ১৮ দিনের মাথায় আবার নির্বাচন দেয়। ওই নির্বাচনে দেশের মানুষ বিএনপিকে ক্ষমতার মসনদ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল।
তিনি বলেন, আজ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের লংমার্চে শত শত ও হাজার হাজার ছাত্র-জনতা, আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, ব্যবসায়ী, খেটে খাওয়া মানুষ, কুলি-মজুর ও দিনমজুর অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের সবার দাবি একটাই—জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষের দেওয়া রায়কে উপেক্ষা করে যারা দেশকে পুরোনো ফ্যাসিবাদী কাঠামোর মধ্যে রেখে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্র করছে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণ ফুঁসে উঠেছে।

তিনি বলেন, বিরোধী দল সময় দিচ্ছে, জনগণ সময় দিচ্ছে। জনগণের সাথে যে অসৌজন্যমূলক অভদ্রতামূলক আচরণ আপনারা করেছেন, যে ধৃষ্টতা আপনারা দেখাচ্ছেন, অনতিবিলম্বে তা থেকে যদি সরে না আসেন, সংবিধান সংস্কার করে রাষ্ট্রের আমূল পরিবর্তন না করেন, তাহলে এই জনগণ দেখিয়ে দিবে কত ধানে কত চাল।
সাদ্দাম আরও বলেন, জনগণ নীরব থাকলেও অন্যায়-অবিচার মেনে নেয় না। তার অভিযোগ, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, নির্বাচন কমিশন ও পিএসসি সংস্কারে গড়িমসি করছে এবং নিজেদের স্বার্থে নির্বাচন ও সরকারি চাকরি নিয়োগব্যবস্থা প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। চা-দাওয়াতের নামে পিএসসি সদস্যদের পদত্যাগে বাধ্য করা এবং দলীয় নেতাকর্মীদের পুনর্বহালের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সরকারকে কঠোর গণপ্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে।
টিএনজে/এএইচ















