পাঁচ টাকার টিকিট কেটে হাসপাতালের বারান্দায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে গেলে যাতায়াতের খরচটাই বৃথা যাবে—এই আশায় অপেক্ষা করছিলেন বয়স্ক এই নারী।
হাসপাতালের বারান্দায় কথা হয় রাহেলা খাতুনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ বাবা। ১০০ টাকা খরচ কইরে আসছি। এখন ডাক্তার না দেখায়ে ফিরে গেলে সবটাই লস হবে। এত বড় হাসপাতাল, আর আমার এই রোগের চিকিৎসা নাই’ রাহেলার মতো চিকিৎসা নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন অনেক রোগী। কুষ্টিয়াসহ আশপাশের কয়েকটি জেলার মানুষের চিকিৎসার অন্যতম ভরসা এই হাসপাতালটিতে এখন চিকিৎসক সংকট তীব্র। ৭৮ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র ৩৩ জন। তাদের মধ্যেও অনেকে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সংকটে নাক-কান-গলা, চক্ষু এবং চর্ম ও যৌন রোগের চিকিৎসা বিভাগ বন্ধ হয়ে গেছে।

টিএনজে/ জাসি











